কুমিল্লা-মীরপুর মেজর গণি সড়কটি বুড়িচং এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরের বুক চিরে চলে গিয়ে সংযুক্ত হয়েছে কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কে। যার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে বুড়িচং এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কয়েক লক্ষ মানুষ। দুই উপজেলার সরকারী বিভিন্ন দপ্তরগুলো এই সড়কের পাশে রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ কুমিল্লা জেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কুমিল্লা থেকে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ায় আসা যাওয়া করে এবং বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষ কুমিল্লা জেলা সদরে আসা যাওয়া করে। কিন্ত এই সড়কটি বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে আছে। এতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটর চালিত অটোরিকশা এবং অন্যান্য গাড়ী চলাচল করতে গিয়ে ড্রাইভার ও যাত্রীদের কষ্টের সীমা থাকে না। তাছাড়া সড়কটি বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গা চূরা থাকায় গাড়ীর বিভিন্ন পার্টসের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। যার ফলে সকাল বিকাল কোন না কোন অজুহাতে ভাড়া বৃদ্ধি করে। এতে সাধারণ যাত্রীদের দূর্ভোগের অন্ত থাকে না। কুমিল্লা-মীরপুর সড়কের প্রবীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ড্রাইভার জজু মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছরের মধ্যে এই সড়কের অবস্থা এখনকার মতো খারাপ কখনো ছিল না। আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে এই সড়কে গাড়ী চালাচ্ছি। গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙ্গার কারণে সড়কটির উপর দিয়ে পানির স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। কিন্ত বাঁধ ভাঙ্গার ৬ মাস অতিক্রম হলেও তেমন একটা সংস্কার করা হয় নাই। সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী সোলেমান বলেন, এই সড়কটি যেন অভিভাবকহীন একটি সড়ক। বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গেছে এবং পিচ উঠে গেছে। তাই আমাদের আসা যাওয়ার পথে অনেক দূর্ভোগের শিকার হই। সন্ধ্যা না হতেই শুরু হয় ভাড়া নৈরাজ্য। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, আমি নতুন এসেছি। বিস্তারিত জেনে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় আপনাদের জানাব। বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার বলেন, কুমিল্লা মিরপুর সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুকুলে অর্থ বরাদ্দ করেছে। এখন সড়ক ও জনপথ বিভাগ যথাযথ নিয়মে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরু করবে।