এক সময়ের ভরা যৌবনা গোমতী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। যেই গোমতীর চরে জন্মাতো সবজি। সেই গোমতীর চর এখন ক্ষত-বিক্ষত। মাটি খেকুরা রাঁতের আঁধারে মাটি কেটে ছিন্ন ভিন্ন করে রেখেছে। গোমতী নদীর মাটি কাটার জন্য গড়ে উঠেছে বিভিন্ন এলাকায় অনেক সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটদের বিশ^স্ত সহযোগী মোস্তফা। তার দায়িত্বছিল উপজেলা থেকে রাতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্টে বের হয় কি না। যদি বের হয় তখনই সে মাটি কাটার সিন্ডিকদেরকে খবর পৌঁছে দিতেন। যার ফলে মাটি কাটার স্থানে ম্যাজিষ্ট্রেট যাওয়ার পূর্বেই মাটি খেকুর দল পালিয়ে যেত। এর বিনিময়ে মোস্তফা মাটি কাটার সিন্ডিকেট থেকে পেত মোটা অংকের কমিশন। কিন্ত চোরের দশদিন গৃহস্থের একদিন। অবশেষে বুড়িচং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ছামিউল ইসলামের হাতে আটক হলো মাটি খেকুদের সোর্স মোস্তফা। অবৈধ ভাবে মাটি ব্যবসায়ীদের সহযোগীতার দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭দিনের কারাদন্ড প্রদান করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার জানান, একটি চক্র রাতের বেলা মোবাইল কোর্টের তথ্য পাচার করে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের সর্তক করতো। যে কারণে আমরা মাটি কাটার স্পটে গিয়ে কাউকে হাতে নাতে ধরতে পারতাম না। তাদের একজনকে আট করে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। সে উপজেলা প্রশাসনের কেউ নয়। তবে বাকিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। সহকারী কমিশনার ভ‚মি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ছামিউল ইসলাম বলেন, কৃষি জমির মাটি,নদীর চরের মাটি,পাহাড়-টিলা, রাস্তা, বাঁধ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় অবৈধ মাটি রোধ ও উর্বর মাটি কাটা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন এর এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।