মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ ১৯৯৮ সাল থেকে বেক্সিমকো গ্রæপের বিভিন্ন কোম্পানির গ্রæপ এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর-কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স এবং গ্রæপ কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন দায়িত্বশীল উচ্চ পদে কাজ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক এবং পেশাদার ডিগ্রি (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি এলএলএম ডিগ্রি এবং এমবিএ ও অর্জন করেছেন। জনাব আসাদ উল্লাহ বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অফ বাংলাদেশ (আইসিএসবি) থেকে চার্টার্ড সেক্রেটারি (প্রফেশনাল ডিগ্রি) হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং আইসিএসবি’র একজন ফেলো সদস্য। তিনি বর্তমানে আইসিএসবির কাউন্সিল সদস্য। তিনি পাঁচ মেয়াদে ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অফ বাংলাদেশ (আইসিএসবি) এর সভাপতি ছিলেন। বাংলাদেশে চার্টার্ড সেক্রেটারিদের পেশার উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দুবার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত আইসিএসবি’র একমাত্র সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং হংকং-ভিত্তিক কর্পোরেট সেক্রেটারিজ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন (সিএসআইএ) এর সরাসরি ব্যবস্থাপনায় বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোম্পানি আইন সংস্কার কমিটি এবং অনেক আইন ও প্রবিধান কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী। জনাব আসাদ উল্লাহ একজন ব্যাপক ভ্রমণকারী ব্যক্তি, বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশ তিনি ভ্রমণ করে আন্তর্জাতিক সেমিনার, প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং সচিবালয়, কোম্পানি আইন, একীভূতকরণ এবং অধিগ্রহণ, সিকিউরিটিজ আইন এবং পুঁজি বাজার উন্নয়ন, কর্পোরেট গভর্নেন্স এবং কর্পোরেট আইন এবং কোম্পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ২০০০-২০০৪ সালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় অবস্থিত গোপালনগর আদর্শ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। কলেজটি তার প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে, সক্রিয় শ্রম, নির্দেশনা, ধৈর্য, জমি দান এবং কোটি কোটি টাকার অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। এরই মধ্যে, কলেজটি কুমিল্লা জেলার অন্যতম সেরা কলেজ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকার শিক্ষাগত উন্নয়নে বিশেষ করে নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। তিনি অনেক জনহিতকর ও ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছেন। তিনি গোপালনগর কেন্দ্রীয় মসজিদের সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর ভূইয়া বাড়ীর কৃতি সন্তান।