কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় আবদুল মতিন খসরু মহিলা ডিগ্রি কলেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষানুরাগী ও একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রভাষক আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের আজীবন দাতা সদস্য ফয়জুন নাহার চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলতাফ হোসেন, ধান্যদৌল আবদুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়ের, ব্রাহ্মণপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ আহাম্মেদ লাভলু এবং শিক্ষানুরাগী কামরুন নাহার চৌধুরী।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর কন্যা নওশীন তাবাসসুম খান চৌধুরী ও ফারহান খান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. জামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক খালেকুর রহমান। এতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বলেন, একটি জাতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মাধ্যমে একজন মানুষকে নৈতিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধে পরিপূর্ণ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হয়। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তি ও আধুনিক জ্ঞানচর্চায় নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। এ জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান।
মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু পাঠদান নয়, বরং মূল্যবোধ ও চরিত্র গঠনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার উন্নয়নে নিজের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং কলেজটির সার্বিক অগ্রগতি কামনা করেন।