আগামী ১৭ জুন মুসলমানদের সর্বোচ্চ ত্যাগের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপন করা হবে। এই দিনে বাংলাদেশে কয়েক লক্ষ পশু কুরবানী করা হবে। মহান আল্লাহ তায়ালাকে খুশি করার জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পছন্দের পশু ক্রয় করে আল্লাহর নামে কুরবানী করে থাকেন। এ কুরবানী উপলক্ষে দু:স্থ ও অসহায় গরীব মানুষরা মাংস খাওয়ার সুযোগ পায়। বাজারে গরু ও খাসী মাংসের যে দাম, তাতে সাধারন মানুষ, শ্রমিক ও গরীব মানুষ ক্রয় করে মাংস খেতে পারে না। ঈদুল আযহার দিন ধনী লোকেরা পশু কুরবানী করে তিন ভাগের এক ভাগ গরীবদের মধ্যে বিতরন করে দেয়। এতে গরীব দুঃখি মানুষের মাংস খাওয়ার ইচ্ছা পুরণ হয়। এই ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু ক্রয় বিক্রয় করার জন্য বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩৭ টি গরু ছাগলের হাট বসবে। বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২০টি এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১৭টি পশুর হাট বসবে। বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন স্থানের পশুর হাটগুলো হলো-শংকুচাইল গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, দক্ষিনগ্রাম গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, কালিকাপুর গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, ফকির বাজার সংলগ্ন গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, বাকশীমূল গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট। বুড়িচং গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট,পূর্ণমতি গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট,খাড়াতাইয়া নতুন বাজার সংলগ্ন গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, ভরাসার বাজার গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, পয়াত গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, পূর্বহুড়া গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, ষোলনল বাবুর বাজার গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, কামারখাড়া ব্রীজ সংলগ্ন গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, গোবিন্দপুর গবাদি পশুর স্থায়ী হাট, কন্ঠনগর গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, কোরপাই গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট,নিমসার গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, পরিহলপাড়া গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, আবিদপুর গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট, কংশনগর গবাদি পশুর অস্থায়ী হাট। এছাড়াও ব্রাহ্মণপাড়ায় ১৭টি পশুর হাটগুলো হলো- কান্দুঘর বাজার সংলগ্ন খালি জায়গা, শিদলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন, চান্দলা ধলগ্রাম ডা. নুরুল হকের বালুর মাঠ, সেনের বাজার, নাগাইশ বাজার, হরিমঙ্গল বাজার, দেউষ মার্কেট, দুলালপুর বাজার, গোপালনগর কুড়েরপার সিদ্দিক মেম্বার বাড়ী সংলগ্ন, ব্রাহ্মণপাড়া ওশান হাই স্কুলের সামনের খালি জায়গা, ধান্যদৌল বাজার সংলগ্ন, জিরুইন বটতলী বাজার, টাকই কেন্দ্রেীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন আড়ং, রামনগর বাজার, আছাদনগর কলেজ গেইট, মনোহরপুর চৌমুহনী পুকুর পাড় এবং অলুয়া দক্ষিণপাড়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই বছর বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়ায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু মজুদ রয়েছে। যদি ভারতীয় গরু অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে নেমে না আসে তাহলে খামাড়ীরা ভালো দামে গরু বিক্রয় করতে পারবে বলে এলাকাবাসীর ধারনা।