বুড়িচং উপজেলা ষোলনল ইউনিয়ন গোবিন্দপুর গ্রামে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ধানের চারা রোপন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিসার মোছাঃ আফরিনা আক্তার । এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ মুজিবুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আতিকুর রহমান । বুড়িচং উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের ৮০ শতক মোঃ আলমগীর হোসেনের ৩০ শতক জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন করা হয় । এছাড়াও কৃষিতে ভূমিকা রাখার জন্য ৬০ জন কৃষককে বিশেষ প্রণোদনা এবং ১০ জন কৃষককে পুরস্কার প্রদান করা হয় । বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা আফরিনা আক্তার বলেন, সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপন করা হয় । মাঠে এর আগেও বুড়িচং রামপুরে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপন করা হয় । গত বছরের রিপোর্ট অনুযায়ী বোরোতে কৃষিযান্ত্রীকরণের করনের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে । প্রায় ২২ শতাংশ জমি কম্বাইন্ড হারভেস্টারের মাধ্যমে কর্তন করা হয় । কিন্তু রোপন কার্যক্রমে কৃষকরা একটু পিছিয়ে আছে । এজন্য আমরা সমলয় কার্যক্রমের মাধ্যমে একসাথেই রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন করব এবং তারা সারগুলো একই সময়ে দিবে। কৃষকদের শ্রমিক সংকট এবং ধানের উৎপাদন খরচ কমাতেই রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের ব্যবহার বৃদ্ধি করাই আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে একদিনে ১৫ থেকে ২০ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করা যায় । কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আইউব মাহমুদ জানান, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের ব্যবহারের ফলে কৃষকের সময় এবং ব্যয় দুটোই কমবে । এই বছর কুমিল্লায় ১১ টি উপজেলায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিন এর মাধ্যমে ৫৫০ একর জমিতে ধানের চারা রোপন করার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে । অল্প ব্যয়ে ও কম সময়ে অধিক ধান উৎপাদন করার জন্য রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের ব্যবহার বাড়ানো দরকার।