স্টাফ রিপোর্টারঃ
শখের বসে কবুতর পালন শুরু করেন মিঠুু।
আর এই শখই পরিবর্তন করেছে তার ভাগ্য।
এখন আর্থিক ভাবে সাবলম্বী তিনি।
এখন বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করছেন বলে জানান ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির মিঠু মিয়া মেম্বার। তিনি বলেন,শিক্ষিত বেকার যুবকরা চাকরি নামক সোনার হরিণের পেছনে না ঘুরে কবুতর পালন করে সহজেই স্বাবলম্বী হতে পারেন। কারণ কবুতরের চাহিদা থাকে সব সময়। শখ করে ২ বছর পূর্বে দেশীয় ও বিদেশি জাতের ১০০ জোড়া কবুতর দিয়ে পালা শুরু করেছিলেন তিনি। এখন তার বিভিন্ন প্রজাতির ১৫০ জোড়া কবুতর। কবুতর পালন করেই হয়ে উঠেছেন সফল খামারি। এই ২ বছরে তার কবুতরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বিভিন্ন রোগে মারা গেছে কয়েক জোড়া কবুতর। কবুতরের প্রজাতির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০থেকে ১৫ টি।শখ থেকে শুরু করা কবুতরই এখন হয়ে উঠেছে আয়ের উৎস।
ওই খামারে গেলে কথা হয় মিঠু মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, ২০২১ সালের দেড় লাখ টাকায় ১০০ জোড়া কবুতর দিয়ে শুরু করেন, প্রায় লক্ষাধিক টাকা খরচ করে তৈরি করেন একটি কবুতর পালনের জন্য টিনসেট ঘর। কবুতরের খামার দেখাশোনা করতে এখন তাকে সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। তাহমিনা আক্তার জানান, খামারে রয়েছে,লাহোর, নোটন, সিরাজী, বাশিরাজ কোকা, মাক্সি হুমা, গিরিবাজ,কিংসহ ১৫ প্রজাতির কবুতর। এসব কবুতরের জোড়ার বাজার দাম ২ হাজার ৫ শত টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে তাদের খামারে। তিনি আরো বলেন শীতের কারণে আমাদের খামারের উন্নত জাতের ৭/৮ জোড়া কবুতর মারা গেছে। কবুতরের খাদ্য ৪০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ টাকা হয়ে যাওয়ায় খাদ্য কিনে আমাদের হিমশিম খেতে হয়, খাদ্যের দাম কমলে আমরা কবুতর পালনে আরও লাভবান হতে পারব।