কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শামীমা আক্তার ( ২২ ) নামে এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার ( ১০ মার্চ ) বিকেলে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের বেজুরা পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি নিহতের পরিবার। নিহত শামীমা ওই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের দ্বিতীয় মেয়ে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে শামীমা তার বসত ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এর আগে তার বিয়ের বিষয়ে পাত্র দেখতে যায় তার পরিবারের লোকজন। এরই ফাঁকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির অন্যান্য লোকজন তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীমা আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠায়। স্বজনরা তাকে কুমেকে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।
নিহতের চাচা আলমগীর হোসেন বলেন, আমার বড় ভাইয়ের ছোট মেয়ে শামীমা আক্তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করলে আমরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। আমরা তাকে কুমিল্লা নেওয়ার পথে সে মারা যায়। তবে আত্মহত্যার করার মতো আমরা কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর জরুরি বিভাগের (ইএমও) চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, শামীমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যপারে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি এস এম আতিক উল্লাহ বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।