কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ক্রয়কৃত ২৯ শতক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগের তদন্তে জমিটির বর্তমান বৈধ মালিক হিসেবে মো. আল আমিনের নাম পেয়েছে পুলিশ। জমির পপ্রকৃত মালিক, বর্তমান মালিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগটির তদন্তকারী কর্মকর্তা।
এ ঘটনায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলার নাইঘর গপ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন (৪০)। অভিযোগে কয়েকজনের বিররুদ্ধে তাঁর ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা ও সেখানে কাজ করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্ররুয়ারি নাইঘর এলাকার রোশনারা বেগমের কাছ থেকে ২৯ শতক জমি ক্রয় করেন আল আমিন। এ জন্য ১৮০২/২৫ নম্বর দলিল করা হয়। এরপর থেকে জমিটি নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আল আমিনের অভিযোগ, গত ২৮ আগস্ট তাঁর ক্রয় করা জমির আগাছা পরিষ্কার করতে লোকজন নিয়ে গেলে নাইঘর গ্রামের কাসেম মেম্বার বাড়ির মো. মুনাফ মিয়ার ছেলে মো. ররুবেল (২৬), মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মো. আবু হানিফ (৫০), মো. পলাশ (২৬) ও মো. সোহেল (২২)-উভয়ের বাবা হুমায়ুন কবির-সহ আরও কয়েকজন কাজে বাধা দেন। তাঁরা শপ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে জোর করে জমি থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন। পরে জমিটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগটির তদন্ত করেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডি.এম.এ মজিদ।
তিনি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নাইঘর এলাকার মো. আল আমিন ও ররুবেলদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। জমির পপ্রকৃত মালিক, বর্তমান মালিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, জমিটির বর্তমান বৈধ মালিক মো. আল আমিন। তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, তদন্তে পপ্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে থানায় এফআইআর পপ্রসিকিউশন দেওয়ার পপ্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের এই তদন্তের ফলে জমিটির মালিকানা নিয়ে আল আমিনের দাবির পক্ষে পপ্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।