অনলাইনে বাকশীমূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল করিম ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বাররগণ। অপপ্রচারের প্রতিবাদে চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল করিম এ প্রতিনিধিকে জানান, তিনি বাকশীমূল ইউনিয়নের পিতাম্বর গ্রামের অভিজাত পরিবারের জন্মগ্রহন করেন। তারপর প্রবাস জীবনের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি লিবিয়াতে অনেক বছর কর্ম করেন। তারপর দেশে এসে ঠিকাদারী ব্যবসা শুরু করেন। ক্রমান্বয়ে তিনি কুমিল্লা জেলার প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসেবে বিভিন্ন উপজেলায় কাজ করেন। তাছাড়া ইতালিতে তার তিন ছেলে রয়েছে। তারা নিজস্ব দোকান দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা বাণিজ্য করছে। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই গাড়ী ব্যবহার করেন এবং একটি ধনাঢ্য পরিবার হিসেবে বাকশীমূল ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এলাকার জনগণের দুঃখ কষ্ট লাঘব করার জন্য এবং স্থানীয়দের আহবানে প্রথমে বাকশীমূল ইউনিয়নের মেম্বার নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বাকশীমূল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মারা যাওয়ায় উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জনগণ তাকে খুব ভালোবাসে তিনিও জনগণকে অনেক ভালোবাসেন। তাদের ভালোবাসার কারণে তিনি পূনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১২জন প্রার্থী এলাকায় প্রচার প্রচারণা করার পরেও তিনি নির্বাচনে জয় লাভ করেছেন। এতেই তার জনপ্রিয়তা প্রমান করে তিনি জনগণকে প্রকৃত সেবা প্রদান করে আসছেন। কিছু কূচক্রীমহল নির্বাচনে তাকে পরাজিত না করতে পেরে আজও তার পেছনে লেগে রয়েছে। তারা বিভিন্ন ভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আসছে এবং তার জনপ্রিয়তা হ্রাস করতে চায়। তিনি বলেন, তারা জানে না যে, আমার জনগনের চাওয়া পাওয়ার বাহিরে কিছুই নেই। ব্যক্তিগত জীবনে আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আমি জনগণের সেবক হয়ে কাজ করে যেতে চাই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার যতই চালাক জনগণ আমার সাথে রয়েছে; আমিও জনগনের সাথে রয়েছি। আমার গাড়ী বাড়ী সব কিছুই চেয়ারম্যান হওয়ার পূর্বের সম্পদ। চেয়ারম্যান হয়ে আমি কিছুই করি নাই। জনগণের প্রাপ্য সকল সুযোগ সুবিধা পরিষদের অন্যান্য মেম্বারদের সাথে আলোচনা করে সুষ্ঠ ভাবে বন্টন করে দেওয়া হয়েছে। যা আমার পরিষদের মেম্বারদেরকে জিজ্ঞাসা করলেই পাওয়া যাবে। সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার রিংকু আক্তার ও ইয়াছমিন আক্তার আমার পরিষদের নেই। তারা পূর্বে এই পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ছিলেন। উপনির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আমি দায়িত্ব পালন করেছি ৩৬ মাস, কিন্ত তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, আমি তাদের ৩৭ মাসের বেতন খেয়ে ফেলেছি। এর চেয়ে বড় মিথ্যা কথা আর হতে পারে না। সাবেক মহিলা মেম্বার রিংকু আক্তার ও ইয়াছমিন আক্তারকে পরিষদ থেকে অবৈধ পন্থায় সুযোগ সুবিধা প্রদান না করার কারণে তারা বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি। বাকশীমূল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মারজানা ইসলাম বলেন, সাবেক মহিলা মেম্বার ইয়াছমিন আক্তার ও রিংকু আক্তার আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বাকশীমূল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ও বতর্মান মেম্বার মোঃ লিটন রেজা বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল করিম সাহেব খুবই ভালো মানুষ। আমি তার সাথে দীর্ঘদিন এই পরিষদের কাজ করছি। তিনি কোন দূর্নীতির সাথে জড়িত নন। তার বিরুদ্ধে হিংস্বাত্মক ভাবে কিছু কূচক্রিমহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার ও সাবেক মহিলা মেম্বার ইয়াছমিন আক্তারের দেবর মানিক মিয়া বলেন, আমার ভাবি চেয়ারম্যান সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে এবং অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি তার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার মাহফুজ বলেন, আমাদের পরিষদে কোন প্রকার দূর্নীতি নেই। চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের সকল মেম্বারদেরকে নিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সকল কাজ কর্ম পরিচালনা করেন। আমাদের চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি তার প্রতিবাদ করছি। সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার আয়েশা আক্তার, শিল্পি আক্তার ও নাজমা বেগম বলেন- ইয়াছমিন আক্তার ও রিংকু আক্তার বতর্মানে আমাদের পরিষদে নেই। আমরা বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আমাদের এলাকার উন্নয়নমূলক ও জনসেবামূলক সকল কাজ চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের সাথে পরামর্শের আলোকে করে থাকেন। তিনি আমাদের সাথে বাবা-মেয়ের মতো আচরণ করেন। তিনি কখনো আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন না। তিনি খুব ভদ্র ভাবে পরিষদের সকল মানুষের সাথে ব্যবহার করেন। চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল করিম ও সচিব মারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে এবং অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।