মিথ্যা অপপ্রচারে নিন্দা জ্ঞাপন

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Spread the love

মাধবপুর আলহাজ্ব আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজ ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালে স্থাপন ও পাঠদান অনুমতি লাভ করে, একই বৎসর ঊওওঘ পেয়ে একাদশ শ্রেণীতে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়, যারা ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিবে। ২৭ ফেব্রæয়ারি ২০২৫ নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৩১ জন সকল বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়। এক বিষয়ে চার জন এবং দুই বিষয়ে দুই জন অকৃতকার্য হয়। অভিভাবক -শিক্ষার্থীকে কলেজে এনে বুঝায়ে এক বিষয়ে চারজনের মধ্যে ০৩ জন থেকে ৫,০০০/= টাকা এবং ২ বিষয়ে ০১ জন থেকে ১০,০০০/= জামানত রেখে প্রাপ্তি রসিদ প্রদান করা হয়, যা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করলে পরবর্তীতে ফেরত দেয়া হবে। সব টাকাই কলেজ হিসাব নম্বরে জমা আছে। তিন বিষয়ে এবং তার অধিক বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে ফরম পূরণের সুযোগ দেয়া হয়নি। প্রথম বর্ষের ফলাফল, প্রাক- নির্বাচনী ও নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে তারা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করবে না মর্মে ফরম পূরণের সুযোগ পায়নি। গোলাপ খানের ছেলে আরিফ খান ০৩ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। গোলাপ খান আরিফ খানের ফরম পূরণের কথা বললে বাকী যারা ০৩ বিষয়ে ফেল করেছে তারা কি দোষ করেছে? ১৬ই মার্চ আমি কলেজে ছিলাম, বিকাল তিনটার পর কলেজ থেকে চলে আসি। ১৭ মার্চ বিলম্ব ফি দিয়ে ফরম পূরণের শেষ দিন বিধায় আরিফ খানের নেতৃত্বে অকৃতকার্য ছাত্ররা এবং একাদশ শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী কলেজে আসে। তাদের ইন্দনে বহিরাগত কিছু লোক এসে কলেজে জানালার গøাস ভেঙ্গে ফেলে এবং সিসি ক্যামেরা ও ফুটেজ যন্ত্র খুলে নিয়ে যায়। আমি জানার পর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে এবং লিখিভাবে অবহিত করি। ব্রাহ্মণপাড়া থানাতে একজন প্রভাষকের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। ২০ মার্চ বৃহস্পতিবার থানা প্রশাসন থেকে তদন্ত করে এবং আলামতের কিছু ছবি উঠিয়ে নিয়ে যায়। আরিফ খান ২০ তারিখে তার ঋধপবনড়ড়শ এ স্ট্যাটাস দেয় আমি দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, মস্তিষ্ক বিকৃতকারী। অধ্যক্ষের পদত্যাগ চায়। ২৭ ফেব্রæয়ারি ২০২৫ কলেজ মিলনায়তনে নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল প্রদান ও পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে গোলাপ খান উপস্থিত ছিলেন। কলেজ প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ১৬ মার্চ’২৫ পর্যন্ত গোলাপ খানের সহযোগিতা ইতিবাচক ছিল। ফর্ম ফিলাপ করার সুযোগ না দেয়ায় অধ্যক্ষ রাতারাতি খারাপ হয়ে যায়।ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান বড়। মাধবপুর আলহাজ্ব আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজ ছাড়াও শশীদল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু তাহের কলেজ, লাউর ফতেহপুর ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ কলেজে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছি। গত তিন কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন বিভিন্ন সংগঠন থেকে বহুবার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ সম্মাননা পেয়েছি। জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বেশ কয়েকবার সাফল্যগাঁথা ফিচার ছাপানো হয়েছে। সততাই আমার মূল শক্তি ইয়াসিন মিয়া নামে ২০২৪ সালের শেষের দিকে ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে লাঠিপেটা করাতে কলেজ থেকে বের করে দেয়া হয়। সেও তার ভধপবনড়ড়শ এ আমার নামে নেগেটিভ মন্তব্য করে। মিথ্যা তথ্য কখনো জয়লাভ করবে না, সত্যেরই জয় হবে। দরজা জানালা ভাঙ্গা, সিসি ক্যামেরা ও ফুটেজ যন্ত্র নিয়ে যা ক্ষতি হয়েছে তা পূন:স্থাপন করতে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগবে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে যে মিথ্যা ও অপপ্রচার করা হচ্ছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। -সৈয়দ আবদুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ, মাধবপুর আলহাজ¦ আবু জাহের ফাউন্ডেশন কলেজ, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা।

  • ব্রাহ্মণপাড়া