কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে একই এলাকার শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত একই কুকুরের কামড়ে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের বালিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের রেজিস্টার খাতায় দেখা গেছে, উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের বালিনা গ্রামের মো. ফারুক মিয়ার ছেলে মো. আকিল (৫), একই এলাকার মৃত আবদুল বারীর ছেলে রুহুল আমিন (৫০), মো. মনির হোসেনের মেয়ে তিশা মণি (৯), মো. আশিকুর রহমানের ছেলে মো. জিহাদ (১০) ও আবদুল মজিদের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৫৫) কুকুরের কামড়ের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এদের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিশা মণি নামের এক শিশুকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জলাতঙ্ক রোধে টিকা নিয়েছেন তারা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কুকুরে কামড়ানো মো. আকিল নামের এক শিশু স্বজনসহ হাসপাতালে আসেন। তারপর এক এক করে কুকুরের কামড় খাওয়া অন্য রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন। পরদিন শনিবার সকাল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ের শিকার একই এলাকার ৫ রোগী চিকিৎসা নেন। আহতদের জলাতঙ্কের টিকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কুকুরের কামড়ে আহত রুহুল আমিন বলেন, ভাতিজা আকিলকে প্রথমে পাগলা কুকুরটি কামড়ায়। আকিলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা শেষে বাড়ি যাই। কিছুসময় পরই ওই কুকুরটি আমাকেও কামড়ায়। আমিও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে গিয়ে চিকিৎসা নিই। এছাড়াও কুকুরটি আমাদের এলাকার আরও দুই শিশুকেও কামড়িয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসনাত মোঃ মহিউদ্দিন মুবিন বলেন, কুকুরের কামড়ে আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আহতদের জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা মজুদ রয়েছে। আহতদের মধ্যে গলায় কামড়ানো তিশা মণি নামের এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।