কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) নির্বাচনী এলাকাকে মাদকমুক্ত আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ। এই এলাকাটি ভারতীয় সীমান্তবর্তী হওয়ায় উঠতি বয়সি যুবকরা মাদকের দিকে ধাপিত হচ্ছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবো। বেকারত্বের সংখ্যা কমিয়ে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টির লক্ষে কাজ করে যাবো, যেন কোন যুবক বেকার জীবন যাপন করতে না হয়। সেই লক্ষ নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবো। বাল্য বিবাহ বন্ধ করার জন্য প্রত্যেকটি এলাকায় কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে কাজ করে যাবো। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আবদুছ ছালাম বেগ এক সাক্ষাৎকারে এ কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, ১৯৪৮-১৯৭১ সাল পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু ছিলেন সম্মুখভাগে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের হাল ধরেন। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন আজ তার কন্যার হাত ধরে সেই সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৪ ও ১৮ এর নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে। আমি রাজনীতি করি, আর রাজনীতির ফাঁকে ফাঁকে ব্যবসা করি। আমি ৩৭ বছর ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করি। তবে, কুমিল্লা-৫ আসনের নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া না হলেও আমি দলের স্বার্থে কাজ করে গিয়েছি। উপ-নির্বাচনেও একই কাজ করেছি। আসন্ন নির্বাচনে আমি কুমিল্লা-৫ বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চাইবো। আমি আশাবাদী, এবার আর দল আমাকে ফিরাবে না। আর যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি আশা করি আমি নৌকার মাঝি হয়ে বিজয়ী হয়ে ঘরে ফিরবো। বুড়িচং- ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সীমান্ত এলাকা হওয়ায়, অনেক নেতারা মাদকের সাথে জড়িত। আমি, এমন কোনো কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নই। দল যদি আমাকে মনোনয়ন না দেয়, তাহলে দলের স্বার্থে আমি যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তার পক্ষে কাজ করবো। আমি মনোনয়ন পেলে আমার মূল ইশতেহার হবে, বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া এলাকাকে মাদকমুক্ত করবো, বাল্যবিবাহ বন্ধ করবো, সড়ক সংস্কার করবো ও চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবো। আর আমার দলের কেউ যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে, তাহলে আমি তাদেরকে দল থেকে বিতাড়িত করবো। আমার মতে বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ৭০ ভাগ উন্নয়ন হয়ে গিয়েছে, আর ৩০ ভাগ করলেই আর কোনো সমস্যা থাকবে না। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে, দেশে গ্যাসের সংস্থান হলে, আমি বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়ায় গ্যাস সংযোগ আনতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবো। ৯৬ সালে মরহুম জিল্লুর রহমান বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়াকে দুইটি পৌরসভা করার কথা বললেও, বিভিন্ন কারণে তা আর হয় নি। আমি সংসদ সদস্য হলে, বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়াকে পৌরসভায় উন্নিত করবো। আমি আমার এলাকার জনগণকে বলবো, দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আপনারা আমাকে আপনাদের খেদমত করার সুযোগ করে দিবেন।