প্রবাসীদের জন্য বিশেষ লাউঞ্জ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ years ago

Spread the love

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ লাউঞ্জ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে আজারবাইজানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার আগে এ লাউঞ্জ উদ্বোধন করেন তিনি।

এসময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, এই লাউঞ্জ তাদের ভ্রমণকে সহজ করবে।’

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এটিই প্রথম প্রবাসী লাউঞ্জ। এখানে বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের বিশ্রামের জন্য জায়গা এবং সুলভ মূল্যে খাবার পাওয়া যাবে। এতে ভর্তুকি দেবে সরকার।

অনুষ্ঠানে আইন ও প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অধ্যাপক আসিফ নজরুল জন্মভূমির জন্য আত্মত্যাগ করা বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক এবং কোটি প্রবাসীর প্রতি গভীর জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত আইওএম মিশনের ডেপুটি চিফ ফাতিমা নুসরাত গাজালি জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তা করতে লাউঞ্জটিকে স্পনসর করেছে।
তিনি বলেন, ‘এটি প্রধান উপদেষ্টার একটি উদ্যোগ। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে পেরে আনন্দিত ।

জাতীয় এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
শপিংমল-মার্কেট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা, আওতার বাইরে থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান আগের নির্দেশনা শিথিল করে শুক্রবার (১২ জুন) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, সব বিভাগীয় কমিশনার এবং সব জেলা প্রশাসকের কাছে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ নির্দেশনা মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শপিংমল, দোকান খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল সরকার। তবে খোলা রাখার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা ছিল না। নির্দেশনায় বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১ জুন থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো রাত ১০টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিধান কার্যকর ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১২ জুন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সব ধরনের বিলবোর্ডের বাতি রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৯টার মধ্যে শেষ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।সূত্র: জাগো নিউজ২৪
৩ মাস আগে