কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই ও কাটাকুটির সময় পশুর লাথি, শিংয়ের গুতা ও ছুরিকাঘাতে ১১ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৮ জনকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। বাকি ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ( কুমেক ) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার ( ৭ জুন ) রাত ৮টায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পশু জবাই ও মাংস কাটায় অংশ নেন মৌসুমি কসাইসহ কোরবানি দেওয়া পরিবারের সদস্যরা। এ সময় পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে আহত হন তারা। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগেরই পশুর মাংস কাটতে গিয়ে হাত ও পায়ের আঙুল, কব্জি ও শরীরের অন্যান্য স্থান কেটে গিয়েছে। এছাড়াও পশু জবাইয়ের সময় পশুর আক্রমণে পশুর লাথি, শিংয়ের গুতায় আহত হয়েছেন কেউ কেউ।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শঙ্খজিৎ সমাজপতি বলেন, কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত হওয়া রোগীদের মধ্যে অধিকাংশ রোগীকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।