এলাকার শিক্ষা বিস্তারে অগপ্রদূত শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ দিন আগে

Spread the love

একজন মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী। তার ইচ্ছে ছিল অর্থের অভাবে যেন কোন শিক্ষার্থী মাঝ পথে থমকে না যায়। এক হাতে পপ্রবাসে ট্যা•রি স্টিয়ারিং, অন্যদিকে নিজের জন্মভূমির মানুষের জন্য উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন-এই দুইয়ের সমন্বয়ে জীবনের তিন দশকেরও বেশি সময় নিউইয়র্ক শহরের ব্যস্ত সড়কে ট্যা•ি চালিয়ে কাটিয়েছেন, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গপ্রামের সন্তান মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী। পপ্রবাসে কঠোর পরিশপ্রম করে উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ তিনি ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাসে ব্যয় না করে বিনিয়োগ করেছেন নিজের এলাকার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে।

তার স্বপ্ন ছিল-অর্থের অভাবে যেন কোনো মেধাবী কিংবা অসচ্ছল শিক্ষার্থী শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়। সেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তব রূপ নিয়েছে নিজ এলাকায়। তার উদ্যোগ ও আর্থিক সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে স্কুল, একাধিক কলেজ, পিপ্র-ক্যাডেট স্কুল, মাদ্রাসা, গপ্রন্থাগার, স্বাস্থ্যসেবা পপ্রতিষ্ঠান ও একটি ফাউন্ডেশন। স্থানীয়ভাবে মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী একজন শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

গপ্রামাঞ্চলে শিক্ষার পপ্রসারে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নতুন কিছু নয়। তবে বিদেশে দীর্ঘদিন কঠোর পরিশপ্রম করে অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজ এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা অবকাঠামোর একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ তুলনামূলকভাবে বিরল। মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরীর উদ্যোগ এমনই একটি স্থানীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে হাজার হাজার মাইল দূরে নিউইয়র্কে অবস্থান করলেও নিজের জন্মভূমি ধান্যদৌলের সঙ্গে তার সম্পর্ক কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। পরিবারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পপ্রবাস জীবনের দীর্ঘ কর্মঘণ্টার মধ্যেও তিনি নিজ গপ্রামের মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন।

নিউইয়র্কের মতো বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত মহানগরে তিন দশকেরও বেশি সময় ট্যা•ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে যাচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিনের পরিশপ্রমে অর্জিত অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তিনি নিজের এলাকার শিক্ষা ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেন। নিজ জন্মভূমি ও বাবা-মায়ের পপ্রতি গভীর শপ্রদ্ধা ও ভালোবাসাও তার এই উদ্যোগের অন্যতম অনুপেপ্ররণা বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

  • ব্রাহ্মণপাড়া