রাতে কুতুবদিয়া পৌঁছাবে এমভি আবদুল্লাহ, নাবিকদের বরণ মঙ্গলবার

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

Spread the love

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ আজ সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতের মধ্যে কুতুবদিয়ায় নোঙর করবে। এরপর মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সদরঘাটে কেএসআরএমের জেটিতে বরণ করা হবে নাবিকদের। এ তথ্য জানিয়েছেন কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এমভি আবদুল্লাহ বর্তমানে বাংলাদেশের জলসীমায় রয়েছে। সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতের মধ্যে কুতুবদিয়ায় নোঙর করবে। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত নাবিকদের লাইটার জাহাজে করে সরাসরি সদরঘাট কেএসআরএম জেটিতে নিয়ে আসা হবে। সেখানেই তাদের বরণ করা হবে।
মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘নাবিকদের জেটিতে বরণ করার জন্য কেএসআরএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। নাবিকদের স্বজনদের কেউ কেউ এ সময় জেটিতে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানা গেছে। তারা নাবিকদের বরণ করে নেবেন।
জাহাজটির পরিচালনা প্রতিষ্ঠান এসআর শিপিং সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের দায়িত্ব নেবে নতুন একটি নাবিক দল। বর্তমান নাবিকরা দীর্ঘ ভ্রমণ ও জিম্মিদশার ট্রমা কাটিয়ে উঠার জন্য ছুটিতে যাবেন। তবে তারা মঙ্গলবারেই ছুটি পাচ্ছেন কি না এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে জাহাজটির পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুতুবদিয়ায় চুনাপাথরের কিছু চালান খালাস করে জাহাজটি ১৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। সেখানে বাকি মালামাল খালাস করার পর বন্দর জেটিতে আসবে এমভি আব্দুল্লাহ।
কয়লা নিয়ে মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরার সময় জিম্মি জাহাজটি এবার দেশের পথে বহন করছে ৫৬ হাজার মেট্রিক টন চুনাপাথর। আজ (১৩ মে) দুপুরে জাহাজটি দেশের জলসীমায় কুতুবদিয়ার দিকে এগোচ্ছিলো।
গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয় এমভি আবদুল্লাহ। ১২ মার্চ বাংলাদেশি ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ার দস্যুরা। দেশটির উপকূল থেকে ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে জাহাজটি জিম্মি করা হয়।
এর ৩২ দিন পর গত ১৪ এপ্রিল জাহাজটি মুক্ত করে দেয় জলদস্যুরা। এর পরই সেটি সোমালিয়া উপকূল থেকে আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। টানা এক সপ্তাহের সমুদ্রযাত্রা শেষে ২১ এপ্রিল বিকেলে জাহাজটি আল হামরিয়াহ বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়।