দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন কেন্দ্রে মালামাল পৌঁছানো কষ্টকর, পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

Spread the love

নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেছেন, বৃষ্টির পানি যদি একদিনের মধ্যে না কমে যায়, তাহলে সেখানে ভোটার উপস্থিতি ও ভোটের মালামাল পৌঁছানো কষ্টকর হয়ে যাবে। মাঠ প্রশাসন থেকেও এমন তথ্য পেয়েছেন তারা।
সোমবার (২৭ মে) নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সচিব এসব তথ্য জানান।
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের ১০৯টি উপজেলার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে ১৯টির ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব উপজেলায় ভোটগ্রহণ কি একেবারে অনুপযোগী, এমন প্রশ্নে মো. জাহাংগীর আলম বলেন, অনুপযোগী না। প্রথমত, সেখানে এখনও বৃষ্টি হচ্ছে আর পানি জমে আছে। তারাই সুপারিশ করেছেন, এসব ভোট পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। আপাতত ভোট স্থগিত করা হয়েছে, পরে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
আগামী ২৯ মে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের ১০৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা ছিল। এ উপলেক্ষে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কিন্তু রোববার সন্ধ্যা থেকে ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আঘাত হানে।
মো. জাহাংগীর আলম বলেন, এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যেসব নির্বাচনি এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের পানি প্রবেশ করেছে,কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করেছে, কোথাও কোথাও গাছ উপড়ে পড়েছে, কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, এসব বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন মোট ১৯টি উপজেলার ভোটগ্রহণ আপাতত স্থগিত করেছে।
ইসি সচিব আরও বলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, মোংলা, খুলনা জেলার কয়রা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, পটুয়াখালী সদর, দুমকী, মির্জাগঞ্জ, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ভোলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, ঝালকাঠির রাজাপুর, কাঁঠালিয়া, বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা এবং রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতি ও সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাস্তব চিত্র পেলে তারপর বলা যাবে।

  • বাংলাদেশ