নৌকায় ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ…জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী

লেখক: স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

Spread the love

স্মাট বাংলাদেশ গড়তে ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নৌকায় ছিলাম, আছি এবং জীবনের বাকি সময়টুকু নৌকার সাথেই থাকবো ইনশাআল্লাহ। নৌকাকে বিজয়ী করতে জীবনের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করে যাব। বঙ্গবন্ধুর কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এই দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্ননে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের কৃষি খাতকে উন্নতি করার লক্ষ্যে ঘোষনা করেছেন- এই দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। কৃষকের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন এবং সার বীজ দিয়ে সহযোগীতা করছেন। বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবো। জননেত্রী যদি আমাকে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেন, আমি জনগণকে সাথে নিয়ে নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ। এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক ভাবে কাজ করে যাবো। বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সকল সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করার জন্য কাজ করে যাবো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবো। দীর্ঘ ৫৫ বছর যাবৎ রাজনীতি করছি কিন্তু কখনো দলের সাথে বেইমানি করি নাই। কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের কৃতি সন্তান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের দুই বারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রয়াত সংসদ সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু মারা যাবার পর এ আসনে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আবুল হাসেম খান। সাবেক আইনমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু’র বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী। স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলের সেক্টর-২ এ যুদ্ধ করেছেন তিনি। ১৯৬৮ সাল থেকে প্রয়াত এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর সাথে ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে একটি সুন্দর ও আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। ২০০৯-২০১৪ ও ২০১৪-২০১৯ টানা দু-বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফলতার সাথে পালন করেছেন। ২০১৮ সাল থেকে অধ্যাবদি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৮৮ সালে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সাল থেকে অদ্যাবদি পর্যন্ত বিভিন্ন নির্বাচনে আওয়ামী প্রার্থীর পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। ১৯৮৬, ১৯৯১,১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের আব্দুল মতিন খসরুর জাতীয় নির্বাচনে প্রধান এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও অন্যান্য অবদান রেখে চলছেন। তিনি দীর্ঘভূমি বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, ধান্যদৌল মাদ্রাসা ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা, আব্দুল মতিন খসরু মহিলা ডিগ্রি কলেজের দাতা সদস্য, মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী কলেজের দাতা সদস্য, সাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার বহু মসজিদ- মাদ্রাসা এতিমখানার দাতা সদস্য, কুমিল্লা ইমারত বিভাগের ঠিকাদারী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। একজন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসাবে দশ বছরে অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। এবিষয়ে আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ায়) আগামীদিনে কাজ করবো। আমি জীবনের শেষ সময়টুকু এই জনপদের জনগনের কল্যানে কাজ করার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলাম। তিনি বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

  • ব্রাহ্মণপাড়া